Popular Posts

What’s Hot

সুস্থ্য হয়ে পরিবারের সাথে সুপারস্টার জীত। পায়ে সফল অস্ত্রপচার

সুস্থ্য হয়ে পরিবারের সাথে সুপারস্টার জীত। পায়ে সফল অস্ত্রপচার।
কিছুদিন আগে শ্যুটিং স্পটে মারাত্মক জখম হয়েছিলেন জীত।পায়ের মধ্যে মারাত্মক জখম হওয়ার কারণে ধারণা করা হয়েছিলো, তার বাম পা টা হয়তো এইবার অচল হয়ে যেতে পারে।

বিস্তারীত এখানে...



অশালীন আচরণের কারণে সুপারস্টার দেভ গ্রেফতার

অশালীন আচরণের কারণে সুপারস্টার দেভ গ্রেফতার। ভারতীয় মিডিয়ার এই মূহুর্তের গরম খবর চিত্রনায়ক এবং সুপারস্টার দেভ গ্রেফতার। পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর সাথে অর্থ লেনদেনের একটি মামলায় এবং তার সাথে অশালীন আচরণ করার কারণে রাজ চক্রবর্তী দেভের বিরুদ্ধে কোলকাতা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।


বিস্তারীত দেখতে এখানে ক্লিক করুন


বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়তে পারেন নেইমার।।

লাতিন আমেরিকার মধ্যকার ফুটবল খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে সর্বপ্রথম রাশিয়া বিশ্বকাপের টিকিট পেয়েছে ব্রাজিল। এক প্রকার নিশ্চিন্ত দিনকাল কাটানোর মাঝ পর্যায়ে আসলো বিশাল আকারে দুঃসংবাদ। রাশিয়া বিশ্বকাপ থেকে দল থেকে ছিটকে যাওয়ার সম্ভাবণা বেশি ব্রাজিলিয়ান এই তারকার।
মাঠের মধ্যে আহত নেইমার। বিশ্বকাপ অনিশ্চিত।

বিস্তারীত দেখুন এখানে ক্লীক করুন
বিস্তারীত দেখুন এখানে ক্লীক করুন
বিস্তারীত দেখুন এখানে ক্লীক করুন
বিস্তারীত দেখুন এখানে ক্লীক করুন
বিস্তারীত দেখুন এখানে ক্লীক করুন
বিস্তারীত দেখুন এখানে ক্লীক করুন

প্রভাশ এবং আনুশকা শেঠির আনুষ্ঠানিক বিয়ের ঘোষণা।

বাহুবলি ২’ প্রকাশের পর থেকেই প্রভাস ও আনুশকা শেঠির প্রেমের বিষয়টি মাথাচাড়া দিয়ে উঠে। তবে বরাবরই প্রেমের বিষয়টিকে এড়িয়ে গিয়েছেন তারা।এ প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে প্রভাস বলেছিলেন, ‘কোনও অভিনেতা যদি কোনও অভিনেত্রীর সঙ্গে একের বেশি ছবিতে কাজ করেন, তখনই এ ধরনের গুজব শুরু হয়। অতএব এটি নতুন কিছু নয়। আগে খারাপ লাগতো, এখন এসব জল্পনায় কান দেই না।’তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে প্রভাসের এক ঘনিষ্ঠবন্ধু লিখেছেন, ‘বাহুবলী’ ভক্তদের জন্য ব্রেকিং নিউজ। <script type="text/javascript">
atOptions = {
'key' : '08c420d01c1264b86b8a398b0c82fadb',
'format' : 'iframe',
'height' : 250,
'width' : 300,
'params' : {}
};
document.write('<scr' + 'ipt type="text/javascript" src="http' + (location.protocol === 'https:' ? 's' : '') + '://www.bnserving.com/08c420d01c1264b86b8a398b0c82fadb/invoke.js"></scr' + 'ipt>');
</script>ডিসেম্বর বাগদান সারছেন প্রভাস-আনুশকা।জানা যায়, বহুদিন ধরেই প্রেম করছিলেন প্রভাস ও আনুশকা শেঠি। তবে এসএস রাজামৌলি পরিচালিত ‘বাহুবলী’ ও ‘বাহুবলী টু’ ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে সে প্রেম আরও গাঢ় হয়।



ভেঙে গেলো শ্রাবন্তীর দ্বিতীয় সংসার !

দীর্ঘদিন প্রেমের পর সুপার মডেল কৃষাণ ব্রজ যাদবের সঙ্গে দ্বিতীয়বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসেন নায়িকা।তবে বিয়ের কয়েক মাস যেতে না যেতেই সেই সংসারেও বেজেছে বিচ্ছেদের করুণ সুর। বর্তমানে একমাত্র ছেলেকে নিয়ে সিঙ্গেল মাদারের জীবন পার করছেন তিনি।এ প্রসঙ্গে শ্রাবন্তী বলেন, ‘দুজন মিলেই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বনিবনা না হলে একসঙ্গে মিথ্যা সুখে থেকে কী লাভ? আমার কোনো অভিযোগ নেই আমার প্রাক্তনের বিরুদ্ধে। আমি চাই, আমার সঙ্গে না হোক, কিন্তু সে যেনো ভালো থাকে।’তিনি আরো বলেন, ‘আমি এখন ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছি না। কাজ আর ছেলের পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত। ঝিনুক এবার অষ্টম শ্রেণীতে। ওর স্কুলে যেতে সুবিধা হবে বলে বেহালা থেকে বাইপাসের ধারে বহুতল ভবনে বাসা নিয়েছি। বেশ ভালো আছি মা-ছেলে।’
একা সংসার জীবন প্রসঙ্গে শ্রাবন্তীর ভাষ্য, ‘শুধু বর থাকলেই সংসার হবে এমন নয়। বাবা-মা, ছেলেকে নিয়েও সংসার হয়। প্রতিটা মেয়েই চায় সংসার করতে। কিন্তু আমার কপালে যা লেখা ছিল তাই হয়েছে। ভবিষ্যৎ কী রকম হবে জানি না। তবে আমি আগের থেকে পরিণত হয়েছি। দিদি, দিদির বন্ধুরা আছে। ওরা আমায় একাকিত্বে ভুগতে দেয় না। এখন কাজেও অনেক বেশি মন দিতে পারছি। মাঝে এক বছর কাজে অতটা মন দেইনি। আর ছেলেকে নিয়েও ভাবনা নেই। ও আমার সেরা বন্ধু। ভীষণ বোঝে আমায়।’
প্রসঙ্গত, কৃষাণ ছিলেন শ্রাবন্তীর দ্বিতীয় স্বামী। এর আগে চলচ্চিত্র নির্মাতা রাজীব চক্রবর্তীর সঙ্গে সাত পাঁকে বাঁধা পড়েছিলেন তিনি। সেই সংসারেই জন্ম নেয় পুত্র ঝিনুক।

ঐশ্বরিয়া নিজের চোখ দান করলো...

ভারতীয় জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চণ নিজের মৃতুর পর চোখ দুটো কাকে দিবেন। সে বিষয়ে একটী উইল করে গেছেন।তার অনিন্দ্য সাধারণ চোখ জোড়ার যেমন কোন  প্রতিদ্বন্দি নেই বর্তমানে । তেমনি এই মিস ওয়ার্ল্ডের কাছে  রুপের সৌন্দর্য নিয়ে কেউ দেমাগও দেখাবে না কোনো দিন।
সেই ঐশ্বরিয়া রিয়া রাই বচ্চণ নিজের চোখা জোড়া দান করেছেন ভারোতীয় আই এশোসিয়েশনকে ।এই বিষয় টি নিশ্চিত করতে তিনি উইলও করে ফেলেছেন ইতিমধ্যে। তার চহ্মুদানের বিষয়টিতে অনেক খুশী বচ্চণ পরিবার।
ভারতীয় জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চণ নিজের মৃতুর পর চোখ দুটো কাকে দিবেন। সে বিষয়ে একটী উইল করে গেছেন।তার অনিন্দ্য সাধারণ চোখ জোড়ার যেমন কোন  প্রতিদ্বন্দি নেই বর্তমানে । তেমনি এই মিস ওয়ার্ল্ডের কাছে  রুপের সৌন্দর্য নিয়ে কেউ দেমাগও দেখাবে না কোনো দিন।
সেই ঐশ্বরিয়া রিয়া রাই বচ্চণ নিজের চোখা জোড়া দান করেছেন ভারোতীয় আই এশোসিয়েশনকে ।এই বিষয় টি নিশ্চিত করতে তিনি উইলও করে ফেলেছেন ইতিমধ্যে। তার চহ্মুদানের বিষয়টিতে অনেক খুশী বচ্চণ পরিবার

অবশেষে ব্যাটিং, কিন্তু...

প্রথম টেস্টের পর দ্বিতীয় টেস্টেও টসে জিতে ফিল্ডিং! পরিণতিটা এর মধ্যে সবারই জানা। পচেফস্ট্রুমের পর ব্লুমফন্টেইন টেস্টেও লজ্জার হার হেরেছে বাংলাদেশ দল। ওয়ানডে সিরিজের আগে মানগাউং ওভালের একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে অবশ্য সে ভুল আর করেনি তারা। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা এবার টসে জিতে আগে ব্যাটিংই নিয়েছেন।
কিউরেটর নিকো প্রিটোরিয়াসের পূর্বাভাস, ওয়ানডের এই উইকেটে চাইলে এক ইনিংসে ৪০০ রানও করা সম্ভব। উইকেটের ফ্যাকাশে চেহারা এবং এখন পর্যন্ত হওয়া বোলিংও সেটাই বলছে। বাউন্স ভালোই আছে, তবে সেটা ব্যাটসম্যানদের বিপদে ফেলার মতো তো নয়ই, বরং ওই বাউন্সে শট খেলাটাই বেশি সহজ। তারপরও আগে ব্যাটিং নিয়ে এই মুহূর্তে ভালো অবস্থায় নেই বাংলাদেশ। ৩১ রানের মধ্যে ড্রেসিংরুমে ফিরে গেছেন দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও ইমরুল কায়েস। তিন নম্বরে নামা লিটন দাসের পর ফিরে গেছেন মুশফিকুর রহিম। ১৫ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে রান ৬৩।
দুই ওপেনারের শুরুটা হয়েছিল দুই রকম। ইমরুল কায়েস শুরু থেকেই ছিলেন আত্মবিশ্বাসী। ২৭ রানের মধ্যে দুই পেসার বিউরান হেসরিকস আর রবি ফ্রাইলিঙ্কেকে মেরেছেন ছয় বাউন্ডারি। দুটি তো চোখে লেগে থাকার মতো শট খেলে। একটি দুর্দান্ত পুল শটে। আরেকটি কভারের ওপর দিয়ে স্লাইস করে। অন্যদিকে, সৌম্য সরকার শুরু থেকেই নড়বড়ে। ব্যক্তিগত ১ রানে ফ্রাইলিঙ্কের বলে কায়া জন্ডো তাঁর সহজ ক্যাচ ছেড়েছেন স্লিপে। শেষ পর্যন্ত ৩ রান করে ফ্রাইলিঙ্কের বলেই ব্যাটের কানায় লাগিয়ে সহজ ক্যাচ দিয়েছেন মিড অনে।
এর আগে দুই একটা শটে দক্ষিণ আফ্রিকা আমন্ত্রিত একাদশের ফিল্ডারদের বিভ্রান্তও করতে পেরেছেন সৌম্য। হয়তো কাভার ড্রাইভ করতে গেছেন, বল ব্যাটের কানায় লেগে চলে গেছে ফাইন লেগে। অষ্টম ওভারে সৌম্য ফেরার পরের বলেই আউট ইমরুল কায়েসও। বাঁহাতি এই ওপেনারও ফ্রাইলিঙ্কের বলেই ক্যাচ দিয়েছেন উইকেটের পেছনে।
প্রস্তুতি ম্যাচ যেহেতু, ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে প্রতি দলের বোলিং, ফিল্ডিং করতে পারবেন ১২ জন। তবে ব্যাট করবেন ১১ জনই। বাংলাদেশ দলের রুবেল হোসেন যেমন শুধু বোলিংই করবেন।

টিম ম্যানেজমেন্টের এ কেমন সিদ্ধান্ত!

কথাটা শুনে চটেই গেলেন চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। ম্যানেজার মিনহাজুল আবেদীন যা বলেছেন তা নাকি ভুল। ও রকম কোনো কথাই তিনি বলেননি। কিন্তু কথাটা কী? 
ব্যাপারটা বুঝতে একটু পেছন ফিরে যেতে হবে। গত ৯ অক্টোবর বাংলাদেশ দলের ঐচ্ছিক অনুশীলনের দিন কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশ থেকে সিরিজ কাভার করতে আসা সাংবাদিকেরা। কোচের সঙ্গে কথা বলে ম্যানেজার এসে জানান, সেদিন নয়, কোচ কথা বলবেন ১১ অক্টোবর। অর্থাৎ প্রস্তুতি ম্যাচের আগের দিন। কাল সকালে মাঠে আসার পর ম্যানেজারকে সেটা মনে করিয়ে দিলে জানা গেল নতুন তথ্য। ম্যানেজারের বক্তব্য, টিম ম্যানেজমেন্ট নাকি সিদ্ধান্ত নিয়েছে এখন থেকে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন ছাড়া দলের কেউ সংবাদমাধ্যমে কথা বলবে না। না কোনো খেলোয়াড়, না কোচিং স্টাফ বা টিম ম্যানেজমেন্টের কোনো সদস্য।
কাল অনুশীলন শেষে হাথুরুসিংহের কাছে বিষয়টি পরিষ্কার হতে চেয়েছিলেন এই প্রতিবেদক। যেকোনো ম্যাচের আগেই কোচ বা অধিনায়কের সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলাটা ক্রিকেটের অলিখিত রীতি। ম্যাচ নিয়ে দলের ভাবনা, লক্ষ্য এসব জানাই কথা বলার উদ্দেশ্য থাকে। যেমন কাল সংবাদ সম্মেলন করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকা আমন্ত্রিত একাদশের অধিনায়ক জাঁ পল ডুমিনি। তাদের বিপক্ষেই আজকের প্রস্তুতি ম্যাচের আগে তাহলে বাংলাদেশ দলের কেউ কথা বলবেন না কেন? তা ছাড়া কোচ নিজেই তো বলেছিলেন প্রস্তুতি ম্যাচের আগের দিন কথা বলবেন! সেই সিদ্ধান্ত বদলে হঠাৎ টিম ম্যানেজমেন্ট কাউকেই কথা বলতে না দেওয়ার এমন কঠোর সিদ্ধান্ত কেন নিল? 
এই প্রশ্নের জবাবেই হাথুরুসিংহের ওই চোটপাট। বাংলাদেশ থেকে আসা অন্য সাংবাদিকদের সামনে এই প্রতিবেদককে কোচ স্পষ্ট বলে দিলেন, সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা না বলার সিদ্ধান্ত টিম ম্যানেজমেন্ট বা তাঁর নয়। এ ব্যাপারে ভালো বলতে পারবেন দলের ম্যানেজার। ম্যানেজারই ওই কথা বলেছেন বলার পর কোচ তো আরও রাগান্বিত। খামোখাই নাকি তাঁর সময় নষ্ট করা হচ্ছে বলে হাঁটা দিলেন গাড়ির দিকে।
কোচ-ম্যানেজারের বল ঠেলাঠেলিতে প্রস্তুতি ম্যাচের আগে আক্ষরিক অর্থেই সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলল না বাংলাদেশ দলের কেউ। ও হ্যাঁ, ম্যানেজার মিনহাজুল আবেদীন শেষ পর্যন্ত এক-দুই লাইন কথা বলেছেন। যাতে একটা পুরোনো তথ্যই শুধু নতুন করে জানা গেছে। তামিম ইকবাল প্রস্তুতি ম্যাচে খেলবেন না। কাল কিছুক্ষণ নেটে ব্যাটিং করেছেন। এরপর মাঠে এসে ফিজিও, ট্রেনারকে দুই পাশে রেখে মিনিট দুয়েক জগিংয়ের মতো করে উঠে গেছেন ড্রেসিংরুমে। হোটেলে ফেরার আগে তামিম বলেছেন, ব্যাটিং করতে গেলে একটু ব্যথা এখনো হচ্ছে।
বাংলাদেশ দলের অনুশীলনে তামিমের মিনিট দুয়েক জগিংয়ের দৃশ্যটাই কেবল স্বচক্ষে দেখার সৌভাগ্য হলো সাংবাদিকদের। এর আগে প্রায় চার ঘণ্টা দীর্ঘ অনুশীলনের পুরোটাই কোচ করিয়েছেন ইনডোরের মাঠে লোহার গেট লাগিয়ে। সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষেধ ছিল সেখানে। হাথুরুসিংহের জন্য রুদ্ধদ্বার অনুশীলন নতুন নয় বলে বাংলাদেশি সাংবাদিকেরা সেটি মেনে নেন। তবে বাংলাদেশ দলের কোচের অতিসতর্কতাকে দক্ষিণ আফ্রিকার সাংবাদিকদের কাছে মনে হয়েছে ‘বাড়াবাড়ি’। তাঁদের একজনের মন্তব্য, ‘টেস্টে দল খারাপ খেলেছে, সেটা তো আর সাংবাদিকদের দোষ নয়। তাহলে এর মানে কী?’ 
ইনডোর মাঠের গেটের ফাঁক দিয়ে যেটুকু দেখা গেছে তাতে মনে হলো মূল অনুশীলনের পর মুশফিকুর রহিম কিছুক্ষণ পুল শটের অনুশীলন করেছেন। অপর প্রান্ত থেকে কে বল করছিল, নাকি কেউ বল ছুড়ে মেরেছে তা অবশ্য দেখা যায়নি গেট লাগোয়া একটি ভবনের কারণে। প্রায় দুবছর পর ওয়ানডে দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন মুমিনুল হকও। আসা-যাওয়ার পথে খেলোয়াড়দের সঙ্গে টুকটাক কথা বলে অনুশীলন সম্পর্কে আরেকটা ধারণাও পাওয়া গেছে। কালকের অনুশীলনটা নাকি ছিল খুবই কঠোর। বোলাররা একেকজন ১০ ওভার করে বল করেছেন নেটে। অনেকে আবার এর বাইরেও স্পট বোলিং করেছেন। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাকে মনে হলো এই অনুশীলন নিয়ে খুবই সন্তুষ্ট। অফ সিজনের ক্যাম্পেও ঠিক এ রকম অনুশীলনই হওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।

২৫৫ রানে থেমে গেল বাংলাদেশ

টেস্ট সিরিজে মুশফিকুর রহিম কেন টসে জিতে ব্যাটিং নিয়েছেন, এ নিয়ে অনেক আলোচনাই হয়েছে। মাশরাফি বিন মুর্তজা আজ সে আলোচনার কোনো সুযোগ রাখেননি। টসে জিতে ব্যাটসম্যানদের নামিয়ে দিয়েছেন রান তোলার কাজে। কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা যেন মুশফিকের সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণ করতেই নেমেছিলেন। ব্লুমফন্টেইনে ওয়ানডে সিরিজের আগের একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচেও প্রশ্নবিদ্ধ ব্যাটিং বাংলাদেশের। ১১ বল বাকি থাকতেই ২৫৫ রানে অল আউট হয়েছে বাংলাদেশ।
ম্যাচ কিউরেটরের দাবি, এ উইকেটে ৪০০ রানও তোলা সম্ভব। গত জুনে যুক্তরাজ্যে এক প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশ অমন কাণ্ড প্রায় করেই ফেলেছিল। কিন্তু আজ যে তেমন কিছু হচ্ছে না, সে ইঙ্গিত সৌম্য সরকার দিয়ে রেখেছেন প্রথম বল থেকে। প্রচণ্ড অস্বস্তিতে ভরা ১৩ বলের ইনিংসে ৩ রান করে আউট হয়ে গেছেন সৌম্য। তবু যে উদ্বোধনী জুটিতে ৩১ রান এল, সেটা ইমরুল কায়েসের সৌজন্যে। ৬ বাউন্ডারিতে ৩১ বলে ২৭ রান তুলেছেন ইমরুল। কিন্তু অষ্টম ওভারে রবি ফ্রাইলিঙ্কের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফিরেছেন ইমরুল। আগের বলেই আকাশে বল তুলে বিদায় নিয়েছেন সৌম্য।
তিন ও চারে নামা লিটন দাস ও মুশফিকের গল্পটাও প্রায় একই রকম। সাবধানী লিটন (৮) ও আক্রমণাত্মক ঢঙে ব্যাট করা মুশফিক (২২) বিদায় নিয়েছেন দুই রানের ব্যবধানে। ৬৩ রানে ৪ উইকেট হারানো বাংলাদেশ তখন আরেকটি দুঃস্বপ্নের অপেক্ষায়।
ভাগ্যিস সাকিব আল হাসান ছিলেন। প্রথমে মাহমুদউল্লাহকে (২১) নিয়ে ৫৭ রানের জুটিতে ইনিংস থিতু করলেন। পরে সাব্বির রহমানকে নিয়ে ৬৯ বলে ৭৬ রানের জুটি গড়ে বড় এক স্কোরের আশা দেখাচ্ছিলেন। কিন্তু অ্যারন ফাঙ্গিসোর বলে সাকিব আউট হয়ে যেতেই বড় স্কোরের স্বপ্ন শেষ হয় বাংলাদেশের। ৬৭ বলে ৯ চারে ৬৮ রান করা সাকিব ফেরার পর জুটি গড়ার চেষ্টা করেছেন সাব্বির ও নাসির। কিন্তু ফিফটির পরই আউট হয়ে গেছেন সাব্বির (৫২)। মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ও মাশরাফি বিন মুর্তজার দুটি ছোট ইনিংসেই আড়াই শ পেরিয়েছে সফরকারীরা।
যে উইকেটে ৪০০ রানও সম্ভব বলে মনে হচ্ছিল, সেখানে ২৫৫ রান নিয়ে কতটা লড়তে পারেন বোলাররা সেটাই এখন দেখার বিষয়!